চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী রাজকীয় পেটা কাঁসার গ্লাস (Authentic Handcrafted Kansa Water Glass)
-
১০০% অরিজিনাল পেটা কাঁসা: চাঁপাইনবাবগঞ্জের অভিজ্ঞ কারিগরদের হাতে নিখুঁত পিটাই (Hand-forged) পদ্ধতিতে তৈরি।
-
আয়ুর্বেদিক গুণসম্পন্ন: কাঁসার গ্লাসে পানি, ডাবের পানি বা লসি পানে শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর হয় এবং পাচনতন্ত্র সুস্থ থাকে।
-
প্রাকৃতিকভাবে ঠাণ্ডা অনুভূতি: গরমের দিনে কাঁসার গ্লাসে পানি বা যেকোনো পানীয় দীর্ঘক্ষণ প্রাকৃতিকভাবে সতেজ ও ঠাণ্ডা থাকে।
-
অভিজাত উপস্থাপনা: যেকোনো অতিথি আপ্যায়নে বা ডাইনিং টেবিলে রাজকীয় ঐতিহ্য ফুটিয়ে তুলতে অতুলনীয়।
সুস্বাস্থ্য ও বাংলার ঐতিহ্যের প্রতিটি চুমুক
প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালির প্রতিটি ঘরে অতিথি আপ্যায়ন এবং দৈনন্দিন পানি পানের বিশ্বস্ত সঙ্গী চাঁপাইনবাবগঞ্জের কাঁসার গ্লাস। আপনার ডাইনিং টেবিলে সেই চিরচেনা আভিজাত্য ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস ফিরিয়ে আনতে eChapaiMart নিয়ে এলো সরাসরি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে সংগৃহীত খাঁটি হাতে পেটা কাঁসার গ্লাস।
আয়ুর্বেদ চিকিৎসা শাস্ত্র অনুযায়ী, কাঁসার পাত্রে নিয়মিত পানীয় গ্রহণ করলে শরীরের ফ্রি-রেডিকেলস ধ্বংস হয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহু গুণ বৃদ্ধি পায়। এটি কেবল একটি গ্লাস নয়, বরং সুস্থ জীবনযাপনের এক নিখুঁত অনুষঙ্গ।
কেন eChapaiMart-এর কাঁসার গ্লাস সেরা?
১. প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য উপকারিতা:
-
পানি বিশুদ্ধকরণ: কাঁসার পাত্র পানির বিষাক্ত উপাদান ও ব্যাকটেরিয়া নষ্ট করে পানিকে ১০০% বিশুদ্ধ ও পানযোগ্য করে তোলে।
-
হজমশক্তি বৃদ্ধি: কাঁসার অণু পানির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে পরিপাকতন্ত্রকে সচল রাখে এবং এসিডিটি কমায়।
-
শরীর ঠাণ্ডা রাখা: এতে পানি রাখলে তা স্বাভাবিক তাপমাত্রার চেয়ে বেশ খানিকটা ঠাণ্ডা ও প্রাণবন্ত অনুভূতি দেয়। ২. নিখুঁত কারুকাজ ও স্থায়িত্ব: বাজারের পাতলা মেশিনের তৈরি গ্লাসের মতো নয়; এটি ভারী এবং অত্যন্ত টেকসই। বহুবছর ব্যবহার করলেও এর স্থায়িত্ব বা সৌন্দর্য কমে না। ৩. আভিজাত্যময় ডাইনিং: মেহমানদারিতে কাঁচ বা প্লাস্টিকের গ্লাসের বদলে ঐতিহ্যবাহী কাঁসার গ্লাসের ব্যবহার কাস্টমারের কাছে আপনার রুচির পরিচয় তুলে ধরে।
প্রোডাক্ট স্পেসিফিকেশন (Product Specifications):
-
উপাদান: ৮০% তামা (Copper) ও ২০% রাঙ (Tin)-এর খাঁটি ঐতিহ্যবাহী সংকর।
-
ধারণক্ষমতা (Capacity): ২৫০ মিলি / ৩০০ মিলি / ৩৫০ মিলি (প্রয়োজন অনুযায়ী নির্বাচন করুন)
-
ওজন: ২৫০ গ্রাম থেকে ৩৫০ গ্রাম (প্রায়) (হাতে তৈরি বলে ওজনে সামান্য তারতম্য হতে পারে)
-
অরিজিন: চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বাংলাদেশ।
ব্যবহার ও যত্ন নেওয়ার উপায় (Care Instructions):
-
নিয়মিত ধোয়া: সুতি কাপড় বা নরম স্পঞ্জ দিয়ে সাধারণ থালা-বাসন ধোয়ার লিকুইড দিয়ে আলতো করে পরিষ্কার করুন।
-
উজ্জ্বলতা বজায় রাখা: সময় যাওয়ার সাথে সাথে হালকা তামাটে ভাব এলে তেঁতুল, লেবুর রস বা ছাই দিয়ে হালকা ঘষে ধুয়ে নিলেই আগের মতো রাজকীয় ঝলমলে রূপ ফিরে পাবে।
-
মুছে রাখা: ধোয়ার সাথে সাথে সুতি শুকনো কাপড় দিয়ে গ্লাসটি মুছে ফেললে পানির ছোপ ছোপ দাগ পড়ে না।






Reviews
There are no reviews yet.